ছবি: সংগৃহীত
গত ১৫ ঘণ্টায় জেলার তিনটি গেজস্টেশন পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বাড়েনি; বরং কমেছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
সোমবার (২৬ আগস্ট) ভারতের বিহার ও ঝাড়খণ্ডে বন্যা পরিস্থিতির কারণে ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট খুলে দিয়েছে দেশটি। তবে এখন পর্যন্ত এর প্রভাব পড়েনি রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পওর বিভাগ) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. হাফিজুর রহমান জানান, গত ১৫ ঘণ্টায় পাংশার সেনগ্রাম গেজস্টেশন পয়েন্ট ও সদরের মহেন্দ্রপুর গেজস্টেশন পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বাড়েনি। তবে গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া গেজস্টেশন পয়েন্টে পানি ০ দশমিক ০৮ সেন্টিমিটার কমেছে।
তিনি বলেন, সেনগ্রাম গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার। সেখনে পানি ৯ দশমিক ০৭ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। মহেন্দ্রপুর গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমার ৯ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। সেখনে পানি ৮ দশমিক ১১ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। আর দৌলতদিয়া গেজস্টেশন পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৮ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার। সেখনে পানি ৬ দশমিক ৯০ সেন্টিমিটারে প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ জেলার তিনটি গেজস্টেশন পয়েন্টেই পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

